তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি কি? তথ্য প্রযুক্তির অবদান || তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা ও অসুবিধা
![]() |
| তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি |
তথ্য প্রযুক্তির সাথে যােগাযােগ মাধ্যমের রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। তাই বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তিকে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি (Information and Communication Technology – ICT) বলা হয়। বাংলাদেশের তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির নীতিমালা অনুসারে-
“যেকোনাে প্রকার তথ্যের উৎপত্তি, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চালন এবং বিচ্ছুরণে ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি বলে।”
তথ্য প্রযুক্তির অবদান (The Contribution of IT)
আধুনিক সভ্যতার ক্রমবিকাশে তথ্য প্রযুক্তির প্রভাব অপরিসীম। কম্পিউটারের নির্ভুল
কর্ম সম্পাদন, দ্রুতগতি, স্মৃতি, স্বয়ংক্রিয় কর্মসম্পাদন, নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিকে কাজে
লাগিয়ে তথ্য আদান-প্রদান, যােগাযােগ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের জন্য তথ্য প্রযুক্তির
প্রয়ােগক্ষেত্র আজ সুবিস্তৃত। তথ্য প্রযুক্তির উল্লেখযােগ্য অবদান হলাে
১. অপচয় রােধ করে এবং সময়সাশ্রয়ী হয়।
২. তথ্যের প্রাপ্যতা সহজ হয়।
৩. তাৎক্ষণিক যােগাযােগ সম্ভব হয়। ফোন, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, ই-মেইল, SMS, MMS প্রভৃতি এর প্রকৃষ্ট
উদাহরণ।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা ও অসুবিধা:
প্রযুক্তির ব্যাপক বিন্যাস মানুষের জীবনকে অনেক সহজ ও দ্রুততর করে তুললেও,এই প্রযুক্তির অনেকগুলো অসুবিধাও রয়েছে। নিচে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা ও অসুবিধা
উল্লেখ করা হলো:-
তথ্য ও প্রযুক্তির সুবিধা:
১. যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করে
২. বিশ্বায়ন
৩. যোগাযোগের খরচ কার্যকরীভাবে কমায়
৪. সারাক্ষণ যোগাযোগ মাধ্যমের উপলব্ধতা
৫. সাংস্কৃতিক ব্যবধান পূরণ
৬. আইটি কৌশলগত চিন্তাভাবনাকে উৎসাহিত করে
৭. নতুন চাকরির সম্ভাবনা তৈরী করে
৮. শিক্ষাক্ষেত্রের ব্যাপক প্রসার
তথ্য ও প্রযুক্তির অসুবিধা:
১. শিক্ষার ক্ষেত্রে বাধার অবকাশ
২. কাজের নিরাপত্তার অভাব
৩. সংস্কৃতির আগ্রাসন
৪. গোপনীয়তার নিরাপত্তহীনতা
৫. প্রযুক্তির উপর নির্ভরতা
৬. তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার অভাব
৭. অভিজ্ঞতার অভাব
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কম্পিউটিং, ডেটা ম্যানেজমেন্ট, টেলিকমিউনিকেশন ও ইন্টারনেটের সাথে জড়িত সমস্ত প্রযুক্তি ও পরিষেবাগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে।
.jpg)

No comments:
Post a Comment