বায়ােইনফরমেটিক্স কাকে বলে? বায়ােমেট্রিক্সে ও বায়ােইনফরমেটিক্স এর পার্থক্য

বায়ােইনফরমেটিক্স কাকে বলে? বায়ােমেট্রিক্সে ও বায়ােইনফরমেটিক্স এর পার্থক্য 


বায়ােইনফরমেটিক্স (Bioinformatics)/ জৈবতত্ত্ববিজ্ঞান


জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলাে যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল (কম্পিউটেশনাল টেকনিক) ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন তাকে বায়ােইনফরমেটিক্স বলে। 


When problems in biology are solved using computational techniques, it is called bioinformatics.




বায়ােইনফরমেটিক্স কাকে বলে || বায়ােমেট্রিক্সে ও বায়ােইনফরমেটিক্স এর পার্থক্য || বায়ােইনফরমেটিক্স এর সুবিধা অসুবিধা
বায়ােইনফরমেটিক্স



Ask.com অনুসারে বায়ােইনফরমেটিক্স-এর সংজ্ঞা- “বায়ােইনফরমেটিক্স হলাে বিজ্ঞানের, সে শাখা, যা বায়ােলজিক্যাল ডেটা এনালাইসিস করার জন্য কম্পিউটার প্রযুক্তি, ইনফরমেশন থিয়ােরি এবং গাণিতিক জ্ঞানকে ব্যবহার করে। বায়ােইনফরমেটিক্স অন্তর্ভুক্ত ডেটাসমূহ হলাে ডিএনএ, জীন, এমিনাে এসিড এবং নিউক্লিক এসিড ইত্যাদি এবং এতে অন্তর্ভুক্ত বিজ্ঞানসমূহ হলাে জীববিজ্ঞান, কমপিউটার ও অন্যান্য বিষয়ক।”



বায়ােমেট্রিক্স ও বায়ােইনফরমেটিক্স এর পার্থক্য :

বায়ােমেট্রিক্স

বায়ােইনফরমেটিক্স

১. বায়ােমেট্রিক্স হলাে বায়ােলজিক্যাল ডেটা মাপা এবং বিশ্লেষণ করার বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি।

১. জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলাে যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল 

(কম্পিউটেশনাল টেকনিক) ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন

সেটাকে বলা হয় বায়ােইনফরমেটিক্স।

২. বায়ােমেট্রিক্স প্রযুক্তি মানুষের দেহের বৈশিষ্ট্য (যেমন: ডিএনএ, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, চোখের রেটিনা এবং আইরিস, কণ্ঠস্বর, চেহারা এবং হাতের মাপ ইত্যাদি) মেপে এবং বিশ্লেষণ করে বৈধতা নির্ণয় করে।

২. বায়ােইনফরমেটিক্স হলাে বিজ্ঞানের সে শাখা, যা বায়ােলজিক্যাল ডেটা এনালাইসিস করার জন্য কম্পিউটার প্রযুক্তি, ইনফরমেশন

 থিয়ােরি এবং গাণিতিক জ্ঞানকে ব্যবহার করে।

৩. কম্পিউটার পদ্ধতিতে নিখুঁত নিরাপত্তার জন্য বায়ােমেট্রিক্স পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 

৩. মলিকুলার (আণবিক) জেনেটিক্স এর ভিজুয়ালাইজেশনকে সম্ভব করে তুলতে বায়ােইনফরমেটিক্স পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 

৪. এ পদ্ধতিতে মানুষের বায়ােলজিক্যাল ডেটা কম্পিউটারের ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে এসব ডেটা নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলিয়ে দেখা হয়। ডেটা মিল পেলে বৈধ বলে বিবেচিত হয় এবং অনুমতি প্রাপ্ত হয়। 

৪. বিপুল পরিমাণ পুনরাবৃত্তিমূলক এবং অ-পুনরাবৃত্তিমূলক তথ্যসমূহের

 সংরক্ষণে সহায়তা করে। প্যাটার্ন রিকগনিশন এবং অ্যালগরিদমিক ডেটা মাইনিং করা যায়।

৫. এটি তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল প্রযুক্তি।

৫. এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি প্রযুক্তি। প্রকল্প চালিয়ে যেতে এবং প্রযুক্তি কিনতে প্রচুর অর্থের প্রয়ােজন পড়ে।

No comments:

Post a Comment

Pages